
খুলনা থেকে জাহাজে তিন দিন সুন্দরবনে। বনের ভেতরে ঢোকার কোনো রাস্তা নেই — পুরো ট্যুরে এক্সপ্লোরার ১-ই আপনার হোটেল, খাবার ঘর আর বন দেখার জায়গা। দুই রাতই কাটবে বনের ভেতরে, পানির উপর। সব খাবার, ফরেস্ট পারমিট আর গাইড দামের মধ্যেই ধরা।
সকাল ৬:০০ জেলখানা ঘাট বা ৪ নম্বর ঘাটে আমাদের গাইড আপনাকে রিসিভ করে জাহাজে তুলবেন; কেবিনে গুছিয়ে বসা · ৬:৩০ ওয়েলকাম ড্রিংকস · ৭:০০ জাহাজ খুলনা ছাড়ে · ৮:০০ সেমি-বুফে নাস্তা · ১১:০০ স্ন্যাকস, চা-কফি · ১১:৩০–১২:৩০ ঢাংমারী বন কার্যালয়, সুন্দরবনের প্রথম প্রবেশদ্বার; পারমিট দেখানো হয়, বনরক্ষীরা ওঠেন · দুপুর ১:৩০ দুপুরের খাবার · ৩:০০–৪:০০ আন্ধারমানিক বা হাড়বাড়িয়ায় নামা — ওয়াচ টাওয়ার, ম্যানগ্রোভের ভেতর কাঠের ট্রেইল, বন চাইলে কাদায় বাঘের পায়ের ছাপ · ৫:০০ জাহাজে ফিরে কটকার পথে, ডেকে বিকেলের স্ন্যাকস · সন্ধ্যা

সকাল ৬:০০, সূর্যোদয়ের সঙ্গে ছোট নৌকায় কটকার সরু খালে, ইঞ্জিন বন্ধ — পাখি দেখার আর বনের ভেতর হরিণের নড়াচড়া শোনার সময় · ৬:১৫ কটকা ওয়াচ টাওয়ার, হরিণের পাল, তারপর ম্যানগ্রোভের ভেতর দিয়ে হেঁটে জামতলা সী বিচ · ৮:৩০ নাস্তা · ৯:০০ কটকা অফিস পাড় আর চারপাশের খোলা বন · ১০:৩০ কচিখালীর পথে রওনা · ১১:০০ স্ন্যাকস · দুপুর ১:৩০ দুপুরের খাবার · ৩:৩০ কচিখালী অভয়ারণ্য — ফরেস্ট অফিস, হরিণ, নদীতে শুশুক · ৪:৩০ ছোট বোটে ডিমের চর: খোলা বালুচর, চারদিকে গভীর বন, বঙ্গোপসাগরের উপর সূর্যাস্ত · ৫:৩০ জাহাজে ফিরে হালকা নাস্তা · সন্ধ্যা ডেকে বার-বি-কিউ ডিনার, তারপর জাহাজ রাতভর করমজলের দিকে।

সকাল ৮:০০ নাস্তা · ৯:৩০ করমজল — বনের ভেতর কাঠের ট্রেইল, হরিণ ও কুমিরের প্রজননকেন্দ্র, ওয়াচ টাওয়ার · ১১:০০ জাহাজে ফিরে খুলনার পথে · ১১:৩০ স্ন্যাকস · দুপুর ২:৩০ দুপুরের খাবার · বিকেল ৫:৩০ খুলনা ঘাটে পৌঁছানো। ট্যুর শেষ।

Royal Bengal tigers live throughout this forest but are seen by very few visitors. Most guests come back with pugmarks in the mud rather than a tiger — and with deer, crocodiles, dolphins, macaques and a great many birds. We would rather you travel with the right expectation than come home disappointed.
দ্য গ্রেট ডেল্টা কোনো অনলাইন বুকিং ইঞ্জিন নয়। এই ওয়েবসাইটে কোনো টাকা নেওয়া হয় না, এবং ফর্ম পূরণ করলেই সিট বুক হয়ে যায় না। আমরা লিখিতভাবে নিশ্চিত করার পর এবং অগ্রিম টাকা পাওয়ার পরই বুকিং হয়।
মোট টাকার ৩০% অগ্রিম দিলে বুকিং নিশ্চিত হয়। আপনার সিট নিশ্চিত করার মুহূর্ত থেকে আমরা আপনার হয়ে যে খরচগুলো করে ফেলি — লঞ্চ বা গাড়ি ভাড়া, অনুমতিপত্র, গাইডের সময় — এই অগ্রিম সেগুলোর জন্য।
দাম জনপ্রতি, বাংলাদেশি টাকায়, এবং আপনার নিশ্চিতকরণে লেখা দলের আকার ও কেবিন ভাগাভাগির ভিত্তিতে। কোনো দাম জানানোর পর তা ৭ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে। বুকিং নিশ্চিত হওয়ার আগে দাম বদলাতে পারে — সাধারণত লঞ্চ মালিক বা বন বিভাগ কোনো ফি বদলালে।
কোন দামে কী অন্তর্ভুক্ত তা প্রতিটি ট্যুরের পাতায় লেখা আছে, এবং সেটিই চূড়ান্ত। ট্যুরের পাতা আর এই পাতার মধ্যে অমিল হলে ট্যুরের পাতা মানা হবে।
সুন্দরবনের যেকোনো যাত্রার জন্য অনুমতিপত্র পেতে বন বিভাগে যাত্রীতালিকা জমা দিতে হয়। তাই প্রত্যেক যাত্রীর পূর্ণ নাম, বয়স এবং এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বর লাগবে। এগুলো ছাড়া অনুমতিপত্র পাওয়া যায় না, আর একবার ইস্যু হলে নাম বদলানো যায় না — শেষ মুহূর্তে নাম বদলালে নতুন অনুমতিপত্র লাগবে, যার খরচ আপনার।
কোনো শারীরিক অসুস্থতা, অ্যালার্জি, খাবারের বিধিনিষেধ বা চলাফেরার অসুবিধা থাকলে বুকিংয়ের সময়েই জানাবেন। আমাদের বেশ কিছু রুটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কোনো সড়ক থাকে না।
ব্যাংক ট্রান্সফার, বিকাশ ও নগদ — তিনটিই চলে। ব্যাংক চার্জ আপনার। টাকা পাঠিয়ে লেনদেনের রেফারেন্স নম্বরটি আমাদের পাঠাবেন, যাতে আমরা বুকিংয়ের সঙ্গে মেলাতে পারি। টাকা পাওয়ার পর আমরা সবসময় লিখিতভাবে জানাই — লিখিত নিশ্চিতকরণ না পেলে ধরে নেবেন টাকা পৌঁছায়নি, এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।