
১৫ নভেম্বর থেকে রুট বদলায়। ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত আমরা যাই আন্দারমানিক, কটকা, জামতলা সী বিচ, কচিখালী, ডিমের চর আর করমজল। ১৫ নভেম্বর থেকে দুবলার চর আর হিরণ পয়েন্ট পর্যন্ত যাওয়া যায়, আর কচিখালী ও ডিমের চর তালিকা থেকে বাদ যায়। নিচে ২য় দিনে দুটোই লেখা আছে।
সকাল ৬:০০ জেলখানা ঘাট বা ৪ নম্বর ঘাটে আমাদের গাইড আপনাকে রিসিভ করে জাহাজে তুলবেন; কেবিনে গুছিয়ে বসা · ৬:৩০ ওয়েলকাম ড্রিংকস · ৭:০০ জাহাজ খুলনা ছাড়ে · ৮:০০ সেমি-বুফে নাস্তা · ১১:০০ স্ন্যাকস, চা-কফি · ১১:৩০–১২:৩০ ঢাংমারী বন কার্যালয়, সুন্দরবনের প্রথম প্রবেশদ্বার; পারমিট দেখানো হয়, বনরক্ষীরা ওঠেন · দুপুর ১:৩০ দুপুরের খাবার · ৩:০০–৪:০০ আন্দারমানিকে নামা — ওয়াচ টাওয়ার, ম্যানগ্রোভের ভেতর কাঠের ট্রেইল, বন চাইলে কাদায় বাঘের পায়ের ছাপ · ৫:০০ জাহাজে ফিরে কটকার পথে, ডেকে বিকেলের স্ন্যাকস · সন্ধ্যা উপরের ডেকে রাতের খাবার।

দুই রুটেই, প্রতিটি যাত্রায়। সকাল ৬:০০, সূর্যোদয়ের সঙ্গে ছোট নৌকায় কটকার সরু খালে, ইঞ্জিন বন্ধ — পাখি দেখার আর বনের ভেতর হরিণের নড়াচড়া শোনার সময় · ৬:১৫ কটকা ওয়াচ টাওয়ার, হরিণের পাল, তারপর ম্যানগ্রোভের ভেতর দিয়ে হেঁটে জামতলা সী বিচ · ৮:৩০ নাস্তা · ৯:০০ কটকা অফিস পাড় আর চারপাশের খোলা বন · ১১:০০ স্ন্যাকস · দুপুর ১:৩০ দুপুরের খাবার।
১৪ নভেম্বর পর্যন্ত যে যাত্রাগুলো · ১০:৩০ কচিখালীর পথে রওনা · বিকেল ৩:৩০ কচিখালী অভয়ারণ্য — ফরেস্ট অফিস, হরিণ, নদীতে শুশুক · ৪:৩০ ছোট বোটে ডিমের চর: খোলা বালুচর, চারদিকে গভীর বন, বঙ্গোপসাগরের উপর সূর্যাস্ত · ৫:৩০ জাহাজে ফিরে হালকা নাস্তা · সন্ধ্যা ডেকে বার-বি-কিউ ডিনার, তারপর জাহাজ রাতভর করমজলের দিকে।
১৫ নভেম্বর থেকে যে যাত্রাগুলো · জাহাজ পূর্বে না গিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে ঘোরে। কচিখালী আর ডিমের চর তালিকা থেকে বাদ যায়, বদলে যাওয়া হয় দুবলার চর — খোলা উপকূলের জেলেদের চর — আর হিরণ পয়েন্ট, যেখানে বন গিয়ে সাগরে মেশে। · সন্ধ্যা ডেকে বার-বি-কিউ ডিনার, তারপর জাহাজ রাতভর করমজলের দিকে।

সকাল ৮:০০ নাস্তা · ৯:৩০ করমজল — বনের ভেতর কাঠের ট্রেইল, হরিণ ও কুমিরের প্রজননকেন্দ্র, ওয়াচ টাওয়ার · ১১:০০ জাহাজে ফিরে খুলনার পথে · ১১:৩০ স্ন্যাকস · দুপুর ২:৩০ দুপুরের খাবার · বিকেল ৫:৩০ খুলনা ঘাটে পৌঁছানো। ট্যুর শেষ।

Dublar Char and Hiron Point sit on the open coast, and we only run them from 15 November. REASON: sea conditions. Departures up to 14 November go to Kochikhali and Dimer Char instead. Both routes are three days, both include Kotka, Jamtola beach and Karamjal, and the price is the same. Your written confirmation names the stops for your departure.
No. M.B. Jol Foring is a non-AC vessel. Every cabin has a fan, and the ship is on the water, so nights inside the forest are cool. If you want an air-conditioned cabin, ask us about this. We are waiting to hear from you.
The ship has 30 berths in 11 cabins, so most cabins are shared.
Royal Bengal tigers live throughout this forest but are seen by very few visitors. Most guests come back with pugmarks in the mud rather than a tiger — and with deer, crocodiles, dolphins, macaques and a great many birds. We would rather you travel with the right expectation than come home disappointed.
দ্য গ্রেট ডেল্টা কোনো অনলাইন বুকিং ইঞ্জিন নয়। এই ওয়েবসাইটে কোনো টাকা নেওয়া হয় না, এবং ফর্ম পূরণ করলেই সিট বুক হয়ে যায় না। আমরা লিখিতভাবে নিশ্চিত করার পর এবং অগ্রিম টাকা পাওয়ার পরই বুকিং হয়।
মোট টাকার ৩০% অগ্রিম দিলে বুকিং নিশ্চিত হয়। আপনার সিট নিশ্চিত করার মুহূর্ত থেকে আমরা আপনার হয়ে যে খরচগুলো করে ফেলি — লঞ্চ বা গাড়ি ভাড়া, অনুমতিপত্র, গাইডের সময় — এই অগ্রিম সেগুলোর জন্য।
দাম জনপ্রতি, বাংলাদেশি টাকায়, এবং আপনার নিশ্চিতকরণে লেখা দলের আকার ও কেবিন ভাগাভাগির ভিত্তিতে। কোনো দাম জানানোর পর তা ৭ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে। বুকিং নিশ্চিত হওয়ার আগে দাম বদলাতে পারে — সাধারণত লঞ্চ মালিক বা বন বিভাগ কোনো ফি বদলালে।
কোন দামে কী অন্তর্ভুক্ত তা প্রতিটি ট্যুরের পাতায় লেখা আছে, এবং সেটিই চূড়ান্ত। ট্যুরের পাতা আর এই পাতার মধ্যে অমিল হলে ট্যুরের পাতা মানা হবে।
সুন্দরবনের যেকোনো যাত্রার জন্য অনুমতিপত্র পেতে বন বিভাগে যাত্রীতালিকা জমা দিতে হয়। তাই প্রত্যেক যাত্রীর পূর্ণ নাম, বয়স এবং এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বর লাগবে। এগুলো ছাড়া অনুমতিপত্র পাওয়া যায় না, আর একবার ইস্যু হলে নাম বদলানো যায় না — শেষ মুহূর্তে নাম বদলালে নতুন অনুমতিপত্র লাগবে, যার খরচ আপনার।
কোনো শারীরিক অসুস্থতা, অ্যালার্জি, খাবারের বিধিনিষেধ বা চলাফেরার অসুবিধা থাকলে বুকিংয়ের সময়েই জানাবেন। আমাদের বেশ কিছু রুটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কোনো সড়ক থাকে না।
ব্যাংক ট্রান্সফার, বিকাশ ও নগদ — তিনটিই চলে। ব্যাংক চার্জ আপনার। টাকা পাঠিয়ে লেনদেনের রেফারেন্স নম্বরটি আমাদের পাঠাবেন, যাতে আমরা বুকিংয়ের সঙ্গে মেলাতে পারি। টাকা পাওয়ার পর আমরা সবসময় লিখিতভাবে জানাই — লিখিত নিশ্চিতকরণ না পেলে ধরে নেবেন টাকা পৌঁছায়নি, এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।