
খুলনা থেকে জাহাজে ২ রাত ৩ দিনের সুন্দরবন ভ্রমণ। বনের ভেতর কোনো রাস্তা নেই, তাই পুরো সময় জাহাজই আপনার হোটেল, খাবারের ঘর আর বন দেখার জায়গা। সব বেলার খাবার, ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের পারমিট আর গাইড দামের মধ্যেই আছে। কোন তারিখে কোন জাহাজ যাচ্ছে, তা তারিখের কার্ডে লেখা থাকে।
সকাল ৬:০০ জেলখানা ঘাট বা ৪ নম্বর ঘাটে আমাদের গাইড আপনাকে রিসিভ করে জাহাজে তুলবেন; কেবিনে গুছিয়ে বসা · ৬:৩০ ওয়েলকাম ড্রিংকস · ৭:০০ জাহাজ খুলনা ছাড়ে · ৮:০০ সেমি-বুফে নাস্তা · ১১:০০ স্ন্যাকস, চা-কফি · ১১:৩০–১২:৩০ ঢাংমারী বন কার্যালয়, সুন্দরবনের প্রথম প্রবেশদ্বার; পারমিট দেখানো হয়, বনরক্ষীরা ওঠেন · দুপুর ১:৩০ দুপুরের খাবার · ৩:০০–৪:০০ আন্দারমানিকে নামা — ওয়াচ টাওয়ার, ম্যানগ্রোভের ভেতর কাঠের ট্রেইল, বন চাইলে কাদায় বাঘের পায়ের ছাপ · ৫:০০ জাহাজে ফিরে কটকার পথে, ডেকে বিকেলের স্ন্যাকস · সন্ধ্যা উপরের ডেকে রাতের খাবার।

দুই রুটেই, প্রতিটি যাত্রায়। সকাল ৬:০০, সূর্যোদয়ের সঙ্গে ছোট নৌকায় কটকার সরু খালে, ইঞ্জিন বন্ধ — পাখি দেখার আর বনের ভেতর হরিণের নড়াচড়া শোনার সময় · ৬:১৫ কটকা ওয়াচ টাওয়ার, হরিণের পাল, তারপর ম্যানগ্রোভের ভেতর দিয়ে হেঁটে জামতলা সী বিচ · ৮:৩০ নাস্তা · ৯:০০ কটকা অফিস পাড় আর চারপাশের খোলা বন · ১১:০০ স্ন্যাকস · দুপুর ১:৩০ দুপুরের খাবার।
১৪ নভেম্বর পর্যন্ত যে যাত্রাগুলো · ১০:৩০ কচিখালীর পথে রওনা · বিকেল ৩:৩০ কচিখালী অভয়ারণ্য — ফরেস্ট অফিস, হরিণ, নদীতে শুশুক · ৪:৩০ ছোট বোটে ডিমের চর: খোলা বালুচর, চারদিকে গভীর বন, বঙ্গোপসাগরের উপর সূর্যাস্ত · ৫:৩০ জাহাজে ফিরে হালকা নাস্তা · সন্ধ্যা ডেকে বার-বি-কিউ ডিনার, তারপর জাহাজ রাতভর করমজলের দিকে।
১৫ নভেম্বর থেকে যে যাত্রাগুলো · জাহাজ পূর্বে না গিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে ঘোরে। কচিখালী আর ডিমের চর তালিকা থেকে বাদ যায়, বদলে যাওয়া হয় দুবলার চর — খোলা উপকূলের জেলেদের চর — আর হিরণ পয়েন্ট, যেখানে বন গিয়ে সাগরে মেশে। · সন্ধ্যা ডেকে বার-বি-কিউ ডিনার, তারপর জাহাজ রাতভর করমজলের দিকে।

সকাল ৮:০০ নাস্তা · ৯:৩০ করমজল — বনের ভেতর কাঠের ট্রেইল, হরিণ ও কুমিরের প্রজননকেন্দ্র, ওয়াচ টাওয়ার · ১১:০০ জাহাজে ফিরে খুলনার পথে · ১১:৩০ স্ন্যাকস · দুপুর ২:৩০ দুপুরের খাবার · বিকেল ৫:৩০ খুলনা ঘাটে পৌঁছানো। ট্যুর শেষ।

তারিখ ভেদে জাহাজ আলাদা হয়। এই পাতার প্রতিটি তারিখের কার্ডে জাহাজের নাম লেখা আছে। ৬–৮ নভেম্বর ২০২৬-এর যাত্রা এমভি জল সাফারিতে, যা পুরোপুরি এসি জাহাজ। অন্য তারিখের জাহাজ নিয়ে জানতে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন।
হ্যাঁ। প্রতি বছর জুন থেকে আগস্ট সুন্দরবনে পর্যটকদের ঢোকা বন্ধ থাকে। নভেম্বর খোলা মৌসুমের মধ্যে পড়ে। খুলনার ট্যুর অপারেটরদের হিসাবে মৌসুম অক্টোবর থেকে মার্চ।
পারে। পর্যটকরা শুধু বন বিভাগের অনুমোদিত স্পট আর রুটে যেতে পারেন। জোয়ার-ভাটা, আবহাওয়া বা বন বিভাগের নির্দেশে পরিকল্পনা বদলাতে হয়।
দ্য গ্রেট ডেল্টা কোনো অনলাইন বুকিং ইঞ্জিন নয়। এই ওয়েবসাইটে কোনো টাকা নেওয়া হয় না, এবং ফর্ম পূরণ করলেই সিট বুক হয়ে যায় না। আমরা লিখিতভাবে নিশ্চিত করার পর এবং অগ্রিম টাকা পাওয়ার পরই বুকিং হয়।
মোট টাকার ৩০% অগ্রিম দিলে বুকিং নিশ্চিত হয়। আপনার সিট নিশ্চিত করার মুহূর্ত থেকে আমরা আপনার হয়ে যে খরচগুলো করে ফেলি — লঞ্চ বা গাড়ি ভাড়া, অনুমতিপত্র, গাইডের সময় — এই অগ্রিম সেগুলোর জন্য।
দাম জনপ্রতি, বাংলাদেশি টাকায়, এবং আপনার নিশ্চিতকরণে লেখা দলের আকার ও কেবিন ভাগাভাগির ভিত্তিতে। কোনো দাম জানানোর পর তা ৭ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে। বুকিং নিশ্চিত হওয়ার আগে দাম বদলাতে পারে — সাধারণত লঞ্চ মালিক বা বন বিভাগ কোনো ফি বদলালে।
কোন দামে কী অন্তর্ভুক্ত তা প্রতিটি ট্যুরের পাতায় লেখা আছে, এবং সেটিই চূড়ান্ত। ট্যুরের পাতা আর এই পাতার মধ্যে অমিল হলে ট্যুরের পাতা মানা হবে।
সুন্দরবনের যেকোনো যাত্রার জন্য অনুমতিপত্র পেতে বন বিভাগে যাত্রীতালিকা জমা দিতে হয়। তাই প্রত্যেক যাত্রীর পূর্ণ নাম, বয়স এবং এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বর লাগবে। এগুলো ছাড়া অনুমতিপত্র পাওয়া যায় না, আর একবার ইস্যু হলে নাম বদলানো যায় না — শেষ মুহূর্তে নাম বদলালে নতুন অনুমতিপত্র লাগবে, যার খরচ আপনার।
কোনো শারীরিক অসুস্থতা, অ্যালার্জি, খাবারের বিধিনিষেধ বা চলাফেরার অসুবিধা থাকলে বুকিংয়ের সময়েই জানাবেন। আমাদের বেশ কিছু রুটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কোনো সড়ক থাকে না।
ব্যাংক ট্রান্সফার, বিকাশ ও নগদ — তিনটিই চলে। ব্যাংক চার্জ আপনার। টাকা পাঠিয়ে লেনদেনের রেফারেন্স নম্বরটি আমাদের পাঠাবেন, যাতে আমরা বুকিংয়ের সঙ্গে মেলাতে পারি। টাকা পাওয়ার পর আমরা সবসময় লিখিতভাবে জানাই — লিখিত নিশ্চিতকরণ না পেলে ধরে নেবেন টাকা পৌঁছায়নি, এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।